বাংলাদেশ জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, মহান আল্লাহ্ যদি তাদের সফল করেন, ক্ষমতায় গেলে পাচার করা অর্থ—even যদি কেউ তা পেটের ভেতর লুকিয়ে রাখে—তাও উদ্ধার করে আনা হবে।
তিনি আরও বলেন, ন্যায়বিচার সবাইকে সমানভাবে নিশ্চিত করতে চান। গ্রামের গরিব একজন অপকর্ম করলে যে সাজা পাবে, একই অপরাধে প্রধানমন্ত্রী বা রাষ্ট্রপতিও একই রকম দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির মুখোমুখি হবেন। আইন হবে সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে লক্ষ্মীপুর আদর্শ সামাদ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জেলা জামায়াতের আয়োজিত নির্বাচনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন ডা. শফিকুর রহমান। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন জেলা নেতা রুহুল আমিন ভূঁইয়া।
বক্তব্যে তিনি জানান, নির্বাচনী প্রচারণার সময় থেকেই বিভিন্ন বাধাবিপত্তির মুখোমুখি হয়েছেন। শেরপুরে জামায়াত নেতা নিহত হওয়া তাদের গতিবিধি থামানোর লক্ষ্যপ্রণোদিত ষড়যন্ত্র ছিল। তিনি বলেন, ‘‘আমরা শুধু মহান আল্লাহকে ভয় করি; প্রয়োজনে জীবন দিতে প্রস্তুত, কিন্তু হার মেনে নেবো না।’’
ডা. শফিকুর বলেন, ক্ষমতায় গেলে প্রতিটি নাগরিকের সম্মান, জীবন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। কিছু মহল তাঁদের শিক্ষা বা রাজনৈতিক পরিচয়ে গ্রুপ আকারে লেগেই থাকতে চাইছে; কিন্তু তারা নিশ্চিত করবেন যে সকল ধর্ম ও বর্ণের মানুষ সমান মর্যাদা পাবে এবং প্রত্যেকে স্বাধীনভাবে তার ধর্ম পালন করতে পারবে—কেউ কারো ধর্মকর্মে বাধা দিতে পারবে না। ক্ষমতায় এলে পুরনো সময়ের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ওপর হামলায় জড়িতদের খুঁজে বের করে বিচারের আওতায় আনা হবে, ইনশাআল্লাহ।
তিনি উপস্থিতদের ১২ ফেব্রুয়ারি সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ভয়কটের আহ্বান জানান।
সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি এটিএম মাসুম, ঢাকা উত্তর মহানগর শাখার সেক্রেটারি ও লক্ষ্মীপুর সদর আসনের দলীয় প্রার্থী ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম, ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম এবং চাকসুর ভিপি ইব্রাহীম হোসেন রনি প্রমুখ। দলের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ এবং ১১-জোটের নেতাকর্মীরা সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র: আজকালের খবর/কাওছার
