অবশেষে দীর্ঘ ১৭ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটল। দেশের জনগণের ভালোবাসা ও প্রত্যাশার প্রতিদান দিয়ে আজ তিনি ফিরলেন নিজ ভূমিতে, তারেক রহমান। তার প্রত্যাবর্তনের খবরে পুরো দেশ উল্লাসে ভরে উঠেছে। বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অসংখ্য নেতা-কর্মী ও অনুরাগীরা ছুটে এসেছেন তাকে একনজর দেখতে, তার দিকে শুভ কামনা জানাতে।
সকাল থেকেই রাজধানীর ৩০০ ফিটে নানা ধরনের পতাকা ও ব্যানারে সজ্জিত হয়ে হাজারো নেতাকর্মী জড়ো হন। প্রত্যেকেরই ছিল আকুল আগ্রহ ও উৎসাহ, অপেক্ষা ছিল শুধুমাত্র তারেক রহমানের দর্শনের জন্য। শেষমেশ, দুপুর ২টা ৫ মিনিটে তাদের সেই অপেক্ষার শেষ হয়, যখন তিনি গণসংবর্ধনাস্থলের প্রবেশদ্বারে এসে দাঁড়ান। তখন পঁচিশোর্ধ্ব নারী-শিশু, বৃদ্ধ-যুবা সহ সকলের হাতে ছিল হাতনের সম্মাননা ও সালাম। তাদের মুখে ভরে উঠেছিল উচ্ছ্বাসের ঝলক, মুখর হয়ে উঠেছিল স্লোগান ও আনন্দের ধ্বনি।
এর আগে, সকাল ১১টা ৪২ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তারেক রহমানকে বহনকারী বিমান অবতরণ করে। তৎক্ষণাৎ দলের শীর্ষ নেতারা তাকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জ থেকে বেরিয়ে তিনি খালি পায়ে দেশের মাটি স্পর্শ করেন, মনে হয় যেন তিনি ফিরে এসেছেন নিজের প্রিয় জন্মভূমি। এরপর, তিনি একটি লাল-সবুজের বাসে চড়ে সরাসরি যাবেন গণসংবর্ধনা মঞ্চে।
পথে তিনি নেতাকর্মীদের সাথে হাত নাড়িয়ে শুভেচ্ছা জানাচ্ছিলেন, আর তাদের কাছেও ছিল অসংখ্য শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা। অপেক্ষাকৃত দ্রুত সময়ে তিনি দেশের বাইরে থেকে ফিরে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির নতুন দিগন্ত উন্মুক্ত করতে প্রস্তুত। আজকের দিনটি বিশ্বাসের উৎস, নতুন আশার সন্ধান। তারেক রহমানের এই প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক স্মরণীয় অধ্যায় হয়ে থাকবে।
