পেকুয়ায় উচ্ছেদের পরও সরকারি-নদীভূমিতে পাকা দোকান পুনর্নির্মাণ – Daily Bhorer Potrika

পেকুয়ায় উচ্ছেদের পরও সরকারি-নদীভূমিতে পাকা দোকান পুনর্নির্মাণ

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: জানুয়ারি ২৭, ২০২৬

কক্সবাজারের পেকুয়ায় সরকারি ও নদীর জায়গা দখলমুক্ত করার অভিযান চালিয়েও কিছুদিনের মধ্যে একই স্থানে আবারও পাকা দোকান নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা বলছেন, বারবার উচ্ছেদের পরও দোকানগুলো পুনর্নির্মাণ হলে প্রশাসনের সিদ্ধান্ত কার্যকর হচ্ছে না এবং ভবিষ্যতে সরকারি অঞ্চল ও নদীভূমি পুরোপুরিভাবে দখল হয়ে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পেকুয়া উপজেলা প্রশাসন কয়েকদিন আগে সড়ক ও সরকারি জায়গা থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে। অভিযানের সময় কয়েকটি পাকা দোকানের পিলার ও অবকাঠামো ভাঙা হয়। সেখানে অভিযান পরিচালনা করেন 당시 উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নূর পেয়ারা বেগম।

তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, ভাঙার কয়েকদিনের মধ্যেই একই জায়গায় আবার পাকা দোকান নির্মাণের কাজ শুরু করা হয়। বারবাকিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের বরাত দিয়ে জানা গেছে, শিলখালী ইউনিয়নের মাঝের ঘোনা এলাকার খালের জায়গা দখল করে সৌদি প্রবাসী আবদুল শুক্কুর ভোলা দীর্ঘদিন ধরে পাকা দোকান তৈরি করে আসছিলেন। উপজেলার ভূমি অফিস বারবার নিষেধ জানালেও তিনি তা অমান্য করে ব্যবসা সম্প্রসারণ চালিয়ে গেছেন।

স্থানীয়রা জানান, একবার উচ্ছেদ হলে আদালত ও প্রশাসনের ইঙ্গিত থাকা সত্ত্বেও পুনর্নির্মাণ শুরু হওয়ায় এলাকায় উদ্বেগ বাড়ছে। ‘‘এভাবে চলতে থাকলে সরকারি জায়গা আর নদীর তীরের জায়গা শেষ হয়ে যাবে,’’—বলেছেন কয়েকজন স্থানীয়।

এ বিষয়ে পেকুয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এ এস এম নুরুল আখতার নিলয় জানিয়েছেন, পুনরায় অবৈধভাবে দোকান নির্মাণের খবর তাদের কাছে পৌঁছেছে। দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে নির্মাণকাজ বন্ধ করা হয়েছে এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি বা প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি নিয়মিত নজরদারি জোরদার করারও নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।

স্থানীয়রা দাবি করছেন, শুধু উচ্ছেদ করলেই হবে না—পুনর্গঠন রোধে স্থায়ী পর্যবেক্ষণ ও কঠোর আইন প্রয়োগ প্রয়োজন। প্রশাসন যদি তৎপর না হন, তাহলে নদী ও সরকারি জায়গার অবৈধ দখল রুখে দেওয়া কঠিন হয়ে পড়বে বলে তারা আশঙ্কা করছেন।

আজকালের খবর/বিএস