বিটিভির আয়োজন: শহীদ মাহমুদ জঙ্গী ও ফোয়াদ নাসেরের গানে ফোয়াদ নাসেরের সুর – Daily Bhorer Potrika

বিটিভির আয়োজন: শহীদ মাহমুদ জঙ্গী ও ফোয়াদ নাসেরের গানে ফোয়াদ নাসেরের সুর

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: জানুয়ারি ১, ২০২৬

বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) সম্প্রতি শীর্ষ ১০ ব্যান্ডের মৌলিক গান নিয়ে একটি বিশেষ অনুষ্ঠান ‘ব্যান্ড উৎসব-২০২৫’ এর আয়োজন করেছে। এই অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য ছিল তরুণ প্রজন্মের মধ্যে দেশীয় ব্যান্ড সঙ্গীতের প্রতি নতুন আগ্রহ ও সম্মান জাগিয়ে তোলা। এর অন্যতম আকর্ষণ ছিল কিংবদন্তি গীতিকবি শহীদ মাহমুদ জঙ্গী ও ব্যান্ড সঙ্গীতের প্রখ্যাত সুরকার ফোয়াদ নাসের বাবুর রচনায় তৈরি দশটি নতুন গান। অনুষ্ঠানটি এমনভাবে পরিকল্পনা করা হয়েছে, যাতে বাংলাদেশের ব্যান্ড সঙ্গীতের এক ভিন্নতর দিক উঠে আসে। শীর্ষস্থানীয় ব্যান্ড দলগুলো যেমন সোলস, ফিডব্যাক, দলছুটসহ অন্যান্য জনপ্রিয় ব্যান্ডগুলোর অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি আরো প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

প্রযোজক গোলাম মোর্শেদ ও গ্রন্থকার আহমেদ তেপান্তর, শিল্প নির্দেশক শারমিন নিগার এই অনুষ্ঠানটি বিটিভির নিজস্ব সেটে নির্মাণ করেন। অনুষ্ঠানটি দুই পর্বে বিভক্ত, যা ৩০ ও ৩১ ডিসেম্বর রাত ১০টায় প্রচারিত হবে। প্রথম অংশে ‘নির্ঝর’, ‘দলছুট’, ‘তরুণ’, ‘রেনেসাঁ’, ‘শিরোনামহীন’ সহ পাঁচটি ব্যান্ডের গান উপভোগ করবেন দর্শকরা। আর দ্বিতীয় পর্বে থাকছে ‘পার্থিব’, ‘পেন্টাগন’, ‘ফিডব্যাক’, ‘নোভা’ ও ‘সোলস’ এর পারফর্মেন্স।

সোলসের ভোকালিস্ট পার্থ বড়ুয়া বলেন, এই উদ্যোগের জন্য তিনি খুবই গর্বিত। তিনি আরও বলেন, আমি বিশ্বাস করি, বিটিভি তরুণ প্রজন্মের জন্য আরও আধুনিক ও মানসম্পন্ন অনুষ্ঠান আয়োজন চালিয়ে যাবে। অন্যদিকে, ব্যান্ডের অন্য সদস্যরাও এই অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ায় নিজেদের জন্য বেশ গর্বিত।

শহীদ মাহমুদ জংগী জানান, বাংলাদেশের ব্যান্ড সংগীতের ইতিহাসে এই ধরনের প্রথম একক অনুষ্ঠান, যেখানে এক গীতিকবি এককভাবে দশটি গানের কথা লিখেছেন। এই গানের দ্রুত রেকর্ড সম্পন্ন করতে বিটিভির পরিচালনা বেশ বড় ভূমিকা রেখেছে। তিনি বলেন, আমি এই অনুষ্ঠানের জন্য সদাশয় ও সহযোগিতাদানের জন্য বিটিভির কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞ। পাশাপাশি, সুরকার ফোয়াদ নাসের বাবু বলেন, এতগুলো মৌলিক সুর একসঙ্গে এই স্বল্প সময়ে তৈরি করা আগে কখনো সম্ভব হয়নি। তারা ধন্যবাদ জানিয়েছেন, বিটিভি, বিশেষ করে জিএম নুরুল আজম, এই অনন্য কাজের জন্য।

জিএম নুরুল আজম বলেন, বাংলাদেশ টেলিভিশনকে নতুন দৃষ্টিকোণ থেকে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির কাছে পৌঁছে দিতে এই ধরনের বৈচিত্র্যময় উদ্যোগ খুবই প্রয়োজন। তিনি বলেন, এই অনুষ্ঠানটি তরুণ প্রজন্মের জন্য বিশেষভাবে উপকারী হবে। অনুষ্ঠানের শেষ দিন ৩১ ডিসেম্বর, ফিরোজা ও অপর ব্যান্ডের পারফর্মেন্স দেখতে পাওয়া যাবে। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ফেরদৌস বাপ্পী। এই আয়োজনে অংশগ্রহণকারী সবাই ব্যান্ড সংগীতের নতুন দিগন্ত উন্মোচনে অঙ্গীকারবদ্ধ।