বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দীর্ঘ ১৭ বছর পর প্রিয় মাতৃভূমিতে ফিরে এসেছেন, যা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। তার এ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতাল এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা ավելի কঠোর করে তুলেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকালে হাসপাতালের সামনে নেতাকর্মীরা আন্দোলন ও অবস্থান করলেও, নিরাপত্তার স্বার্থে তাদের সরিয়ে নেওয়া হয় এবং রাস্তা ফাঁকা করে দেওয়া হয়। এ সময় বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের কিছু নেতা-কর্মীও স্থানান্তরিত হন। এর আগে, সকাল ১১টা ৪০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে তারেক রহমানকে বহনকারী বিমান। এর আগে, সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে তিনি পৌঁছান এবং সেখানে এক ঘণ্টা অবস্থান করে বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিকেল ১১টায় ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন। এরপর, রাজধানীর পূর্বাচলে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি, যেখানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ তার বক্তব্য দেন। তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের খবরে বিমানবন্দর থেকে ঢাকা উত্তরে দিকের সড়কে নেতাকর্মীদের উচ্ছ্বাস আর স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে। সংবর্ধনা শেষে তিনি চলে যান এভারকেয়ার হাসপাতালে, যেখানে তিনি তার মা, খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করবেন। এরপর তিনি গুলশান-২-এ তার বাসভবনে যাবেন। উল্লেখ্য, আজকের এই দিন তিনি অন্য কোনও অনুষ্ঠানে অংশ নবেন না, শুধুমাত্র পরিবার এবং রাজনৈতিক তত্ত্বাবধানে থাকবেন।
